আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশাকরি আপনারা সকলেই ভালো আছেন।
৫ সেকেন্ডে যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকি লিখা হয়? বিশ্বাস হবে না। আমি আপনাদের অনুরোধ করবো টিউনটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ার। আল্লাহ তায়ালা আমাদের অনেক যত্ন করে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তায়ালার মতো করে আমাদেরকে কেউ ভালোবাসেন না। আর ভালোবাসতেও পারেন না। আর আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্যর প্রস্ত্তত করে রেখেছে জান্নাত। যাহার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নহর। আর আল্লাহ তায়ালার পরেই আমাদেরকে অত্যধিক ভালোবাসেন আমাদের প্রান প্রিয় নবী করিম রাসূলুল্লাহ (সা)। রাসূল (সা) সব সমই চিন্তা করতেন, কিভাবে আমরা নাযাত পেতে পারি। কিভাবে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি পেতে পারি? তিনি আজীবন আমাদোরকে শিখিয়ে গেছে, কিভাবে আমরা অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভমান হতে পারি। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন ছোট্ট একটি আমল। যে আমলটি করার ফজিলত অপরিসীম। আসুন আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি ছোট্ট এই আমলটি সব সময় করার। ছোট্ট এই দোয়াটি হলো, জাযাকাল্লাহ আন্না মুহাম্মাদান মা-হুয়া আহলুও।
নবী করিম (সা) ফরমান, যে ব্যক্তি একবার এই দোয়া পাঠ করবে, ৭০ জন ফেরেশতা ১০০ দিন পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে উহার সাওয়াব লিখতে থাকবে। আল্লাহ ও তার রাসূল (সা) এর কাছে সবচেয়ে প্রিয়, যা নিয়মিত করা হয়।
হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত রাসূল (সা) কে জিজ্ঞাসা করা হল, আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কি? তিনি বললেন, যে আমল নিয়মিত করা হয়। যদিও তা অল্প হোক। তিনি আরও বললেন, তোমরা সাধ্যমত আমল করে যাও। (বুখারি-৬০২১) প্রত্যেক অজুর পর কালেমা শাহাদাত পাঠ করুন। এতে জান্নাতের যেকোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রত্যেক ফরজ সালাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে করে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জান্নাতে যেতে পারবেন। প্রত্যেক ফরজ সালাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা-ইলাহা ইল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকা লাহু, লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই ইন কাদির) পাঠ করুণ এতে আপনার অতিতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন, সুবহানাল্লাহ। প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করুণ এতে করে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। রাসুলুল্লাহ (সা) এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সা) এর সুপারিশ পাবেন। সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পড়লে সৃষ্টকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশি মর্যাদা দেয়া হবে। সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশি সাওয়াব আর কারো হবে না। সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু, লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই ইন কাদির, পাঠ করিলে অগণিত সাওয়াব হবে। বাজারে প্রবেশ করে, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হামদু ইয়াহয়ী ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা ইয়ামুত বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই ইন কাদির, পাঠ করুণ এতে ১০ লক্ষ নেকি হবে, ১০ লক্ষ পাপ মচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ এতে আল্লাহ তায়ালা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। (ইবনু হিব্বান হাদিস নম্বর ৪৯৯)
আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী টিউনে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আল হাফেজ।